স্কুলে কিংবা কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন পত্র লেখার নিয়ম এই পোস্টটা দেখতে পারবেন যদি আপনি কলেজে ভর্তি হতে চান কিংবা স্কুলে ভর্তি হতে চান তাহলে এই পোস্টটি আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ আসুন আমরা তাড়াতাড়ি দেখে নেই কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন পত্র লেখার নিয়ম।

আজকের এই পোস্টে শুধুমাত্র কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন পত্র লেখার নিয়ম নয় বরং বাংলাদেশ কলেজে ভর্তির ন্যূনতম জিপিএ কত আর কলেজে ভর্তির আবেদনপত্র কাকে বলে কিভাবে লিখতে হয় সেই সকল বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হবে।
কলেজে ভর্তির আবেদন পত্র কি?
অনেকেই জিজ্ঞাসা করেন কলেজে ভর্তির আবেদন পত্র কি??? কলেজে ভর্তির আবেদনপত্র বলতে বোঝায় এক ধরনের আনুষ্ঠানিক চিঠি কিংবা আবেদন যেখানে ছাত্রছাত্রীর কলেজে ভর্তির অনুমতি চাওয়া হয়।
আরো পড়ুন: অসুস্থতার জন্য পরীক্ষায় অনুপস্থিতির আবেদন
সাধারণত সরকারি কলেজগুলোতে বেশিরভাগ আবেদন পত্র লিখা হয় সরকারি কলেজে ভর্তি হওয়ার সকল যোগ্যতা অনুসারে একটি আবেদন পত্র লেখা হয় যেখানে ভর্তির জন্য অনুমতি নেওয়া হয়। আপনি যদি স্কুল পাশ করে কলেজে ভর্তি হতে চান তাহলে আপনাকে একটি অনুমতিপত্র তৈরি করতে হবে এই অনুমতি পত্র কে বলা হয় কলেজে ভর্তির আবেদন পত্র।
আবেদন পত্র লেখার নিয়ম
আপনি কি আবেদনপত্র লেখার নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান?? যদি আবেদনপত্র লেখার নিয়ম না জানেন তাহলে আজকের এই পোস্টটি দেখুন এই পোস্টে আপনাদের পত্র লেখার জন্য একবারের সঠিক এবং সহজ নিয়ম শেয়ার করা হবে.।
এই এই নিয়ম অনুসরণ করে খুব সহজে আপনারা আবেদন পত্র লিখে ফেলতে পারবেন চলুন আর দেরি না করে দ্রুত দেখে নেওয়া যাক কিভাবে একটি আবেদন পত্র তৈরি করতে হয়।
আবেদন পত্র লেখার নিয়ম
- আবেদনপত্রের শুরুতেই তারিখ উল্লেখ করতে হয় কত তারিখে এই আবেদন পত্রটি জমা দিবেন সেই তারিখটি উল্লেখ করতে হবে।
- তারিখ দেওয়ার পরে কার কাছে এই আবেদন পত্রটি লিখছেন অর্থাৎ অধ্যক্ষ এর কাছে নাকি প্রধান শিক্ষক সে বিষয়টি উল্লেখ করতে হবে যদি প্রধান শিক্ষকের কাছে আবেদন পত্র লিখেন তাহলে তারিখ লেখার নিচে প্রধান শিক্ষক লিখতে হবে তারপরে বরাবর উল্লেখ করতে হবে এটি খুবই জরুরী বরাবর লেখার পরে আপনার প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করতে হবে স্কুল কিংবা কলেজের নাম লিখতে হবে তারপরে জেলা উল্লেখ করতে হবে
- তারপরে বিষয় উল্লেখ করতে হবে কোন বিষয়ে এই আবেদন পত্র লিখছেন সে বিষয়টি উল্লেখ করতে হবে।
- তারপরে স্যার অথবা মহোদয় কিংবা জনাব লিখে আবেদনপত্র শুরু করতে হবে।
- তারপর বক্তব্য উল্লেখ করতে হবে।
- বক্তব্য শুরুতে লিখতে হবে বিনীত নিবেদন এই যে আমি,, আপনার নাম ঠিকানা অথবা প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে বক্তব্য শেষ করতে হবে।
- আবেদন পত্রের শেষে:: বিনীত আবেদন এই যে আশা করছি আপনি আমাকে এতদিন ছুটি দিয়ে অথবা আমার এই চাওয়া-পাওয়া পূরণ করে বাধ্য করবেন ইত্যাদি এইভাবে বিষয়টিকে উল্লেখ করে একটু সাজিয়ে লিখতে হবে তবে শুরুতে লিখতে হবে বিনীত আবেদন।
- তারপর সবশেষে নিজের নাম শ্রেণী এবং রোল উল্লেখ করতে হবে।
শুধুমাত্র এই কয়েকটি নিয়ম অনুসরণ করলেই আবেদন পত্র লিখা শেষ হবে আশা করছি আপনারা সকলে বুঝতে পেরেছেন আবেদন পত্র লেখা খুবই সহজ। আবেদনপত্র লেখার নমুনা দেখতে চাইলে নিচে দেখে নিন কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন পত্র লেখার নিয়ম দেওয়া আছে।
কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন পত্র লেখার নিয়ম
আপনি কি কলেজে ভর্তি হতে চাচ্ছেন? স্কুল থেকে কলেজে ভর্তি হতে চাচ্ছেন?? স্কুল থেকে কলেজে ভর্তি হতে চাইলে কিংবা অন্য কোন কলেজ থেকে কলেজ ট্রান্সফার হতে চাইলে আপনাকে লিখতে হবে কলেজে ভর্তি হওয়ার আবেদপত্র। আবেদনপত্র না লিখলে আপনি কলেজে ভর্তি হতে পারবেন না তাই আসলে আমরা দেখে নেই কিভাবে কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন পত্র লিখতে হয়।
কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন পত্র লেখার নিয়ম
৯ অক্টোবর ২০২৫
বরাবর
অধ্যক্ষ
ঢাকা কলেজ
ঢাকা
বিষয়: কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন পত্র
মহোদয়
বিনীত নিবেদন এই যে আমি এই বছরে ২০২৫ সালে এসএসসি পাস করে জিপিএ ফাইভ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছি। আমি জানি ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে সেরা একটি কলেজ হল এই ঢাকা কলেজ আমি আপনাদের এই সম্মানিত কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষ তে ভর্তি হতে ইচ্ছা প্রকাশ করছি এবং আমি নিয়মিতভাবে অধ্যয়ন করতে আর এই কলেজের সকল নিয়মকানুন সঠিকভাবে মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অতএব আমার এই আবেদনটি সদয় বিবেচনা করে আমাকে আপনার সম্মানিত কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ প্রদান করলে চির কৃতজ্ঞ হয়ে থাকবো।
বিনীত
রিপা মাহমুদা রিনি
মোবাইল নাম্বার: ০১৮৩৫৭৩৮৩৬
প্রিয় শিক্ষার্থী যদি তুমি এসএসসি পাস করে এবার এইচএসসি প্রথম বর্ষ কিংবা উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বসতে ভর্তি হতে চাও তাহলে এভাবে একটি আবেদনপত্র অবশ্যই তৈরি করতে হবে চাইলে তুমি নিজেই এই আবেদন পত্রটি তৈরি করতে পারবে অথবা কম্পিউটারের দোকান থেকে এই আবেদনপত্র তৈরি করে নিতে পারবে।
আরো পড়ুন: রাম ছাগল কত দিনে বাচ্চা দেয় এবং বাচ্চার দাম কত
যখন তোমরা উচ্চমাধ্যমিকের জন্য এপ্লাই করে থাকো তখন কম্পিউটারের দোকানে এমন একটি আবেদন পত্র তৈরি করা হয় তোমরা চাইলে নিজেরাও এই আবেদন পত্রটি তৈরি করতে পারবে।
আশা করছি তোমরা সকলেই নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছ কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন পত্র লেখার নিয়ম সম্পর্কে। কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য একই অনুমতি আবেদন পত্র তৈরি করতে হয় যা ছাড়া কলেজে ভর্তি হওয়ার সম্ভব নয়।
কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন পত্র লেখার নিয়ম in English
কলেজে ভর্তির জন্য আবেদনপত্র তুমি চাইলে ইংরেজিতে লিখতে পারবে আবার তুমি চাইলে বাংলাতেও লিখতে পারবে । ইংরেজি অথবা বাংলা যেকোনো ভাষাতে লিখে আবেদন পত্র জমা দিলেই হল তবে বাধ্যতামূলক নয় যে তোমাকে ইংরেজিতে আবেদন দিতে হবে তুমি চাইলে বাংলাতেও লিখতে পারো।
তবে যদি ইংরেজিতে আবেদন পত্র লিখ তাহলে ব্যাপারটি বেশ ভালো দেখায় কারণ বাংলাদেশে এখন ইংরেজি ভাষার গুরুত্ব আর মর্যাদা খুব বেশি যে কোন জায়গায় ইংরেজিতে আবেদন পত্র লিখলে কিন্তু ইংরেজি ভাষায় কথা বললে খুব বেশি গুরুত্ব পাওয়া যায়।
তাই তুমি যদি ইংরেজিতে আবেদন পত্র লিখে জমা দিতে চাও তাহলে আসো আমরা দেখে নেই কিভাবে ইংরেজিতে আবেদন পত্র তৈরি করতে হয় নিচে দেখো একটি নমুনা পাত্র দেওয়া হল যেখানে ইংরেজিতে কলেজে ভর্তির জন্য অনুমতির আবেদন করা হয়েছে।
কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন পত্র লেখার নিয়ম in English
18 October 2025
to
the principal
dhaka college
dhaka
sir
My humble submission is that I passed my SSC in the year 2025 with a GPA of five. I know that this college is one of the best in Dhaka.I am interested in taking admission in this college for the first year of higher secondary. I am committed to attending classes regularly and following all the rules and regulations of this college with respect.
Therefore, I would be eternally grateful if you kindly consider my application and grant me the opportunity to be admitted to your esteemed college.
yours
Ripa Mahmuda
contact number : 01718363993
প্রিয় শিক্ষার্থী তোমরা এই আবেদন পত্রটি ব্যবহার করতে পারবে এটি হলো আবেদন পত্রের নমুনা যেখানে তোমরা নিজেদের নাম পরিবর্তন করে ব্যবহার করতে পারবে যদি এসএসসি থেকে কলেজে ভর্তি হতে চাও তাহলে উপরের এই আবেদন পত্রটি কপি করে নাও।
আশা করছি সকলে বুঝতে পেরেছ বাংলা এবং ইংরেজি ভাষায় আবেদন পত্র লেখার নিয়ম সম্পর্কে উপরে কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য অনুমতি কলেজে ভর্তির আবেদন পত্র তৈরি আবেদন তোমরা ব্যবহার করতে পারবে। এবার চলো দেখে নেওয়া যাক বাংলাদেশ কলেজে ভর্তির ন্যূনতম জিপিএ কত?
বাংলাদেশে কলেজে ভর্তির নূন্যতম জিপিএ কত?
বাংলাদেশে কলেজে ভর্তির নূন্যতম জিপিএ কত? পাস করেছ তাদেরকে অবশ্যই জানতে হবে যে বাংলাদেশে কোন কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য কত জিপিএ প্রয়োজন। যদি তুমি পরীক্ষায় ২.০৫ পেয়ে থাকো তাহলে বাংলাদেশের যে কোন কলেজে চান্স পেয়ে যাবে আর যদি তোমার জিপিএ ২ এর কম হয় তাহলে তুমি কোন কলেজে ভর্তি হতে পারবে না বরং তোমাকে আবারও পরীক্ষা দিতে হবে।
বাংলাদেশে কলেজে ভর্তির নূন্যতম জিপিএ কত?
বাংলাদেশের যে কোন বিভাগে যে কোন জেলার যে কোন কলেজে ভর্তি হতে পারবে যদি তোমার জিপিএ থাকে ২.০৫ এর ওপরে। আর যদি জিপিএ ২.০৫ এর কম থাকে তাহলে কোন কলেজে ভর্তি হতে পারবে না আর ভালো কলেজে ভর্তি হতে হলে জিপি আরও বেশি হতে হবে।
জেলাভিত্তিক কলেজে ভর্তি হতে নূন্যতম জিপিএ ২.০৫ পয়েন্ট হতে হবে। আর বিভাগীয় ভিত্তিক সরকারি কলেজে ভর্তি হতে হলে তোমার জিপিএ ৪.২৫ এর ওপরে হতে হবে। আর জেলাভিত্তিক কলেজে সরকারি হলে ৩.০০ জিপিএ তে ভর্তি হতে পারবে। জেলাভিত্তিক বলতে বোঝায় একটি বিভাগের মধ্যে অনেকগুলো জেলা থাকে যেমন রাজশাহী বিভাগের মধ্যে রাজশাহী জেলা রয়েছে নাটোর দুর্গাপুর বগুড়া জেলা রয়েছে।
জেলাভিত্তিক কলেজে ভর্তি হতে হলে কম জিপিএ দিয়েও ভর্তি হওয়া যায় কিন্তু বিভাগীয় ভিত্তিক কলেজে ভর্তি হতে হলে বেশি জিপিএ প্রয়োজন। আশা করছি তোমরা বুঝতে পেরেছ কোন কলেজে ভর্তি হতে কত জিবিএ প্রয়োজন।
লেখকের শেষ মন্তব্য
প্রিয় পাঠক বৃন্দ তোমরা আজকের এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে আবেদন পত্র লেখার নিয়ম সম্পর্কে বুঝতে পেরেছ কিভাবে আবেদন পত্র তৈরি করতে হয় এই পোস্টে তোমাদের জন্য নমুনা দেওয়া হয়েছে। তোমরা চাইলে সম্পূর্ণ নমুনা পত্র কপি করে ব্যবহার করতে পারবে।
এছাড়াও আজকের এই আর্টিকেলে তোমাদের সাথে আরো আলোচনা করা হলো কোন কলেজে ভর্তি হতে কত জিপিএ প্রয়োজন আর কখন আবেদনপত্র তৈরি করতে হবে আর কিভাবে আবেদন পত্র তৈরি করে বেশি গুরুত্ব পাওয়া যাবে। আজকের এই পোস্টের মাধ্যমের উপকৃত হয়ে থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবে।