সামষ্টিক অর্থনীতি কাকে বলে – সামষ্টিক অর্থনীতির সংজ্ঞা

সামষ্টিক অর্থনীতি কাকে বলে? সামষ্টিক অর্থনীতির সংজ্ঞা কোথায় পাবো? সামষ্টিক অর্থনীতি বলতে কী বোঝায় এবং সামষ্টিক অর্থনীতি সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা কি বলেন সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে এই পোস্টটি সম্পূর্ণ দেখতে থাকুন।

সামষ্টিক অর্থনীতি কাকে বলে - সামষ্টিক অর্থনীতির সংজ্ঞা

সামষ্টিক অর্থনীতি নিয়ে আজকের এই পোস্টে আমরা সব কিছু বিস্তারিত আলোচনা করব। সামষ্টিক অর্থনীতি বলতে কোন একটি অর্থব্যবস্থার সামগ্রিক রূপ কে বোঝানো হয়। চলুন আমরা ঝটপট দেখে আসি সামষ্টিক অর্থনীতি কাকে বলে এবং সামষ্টিক অর্থনীতির সংজ্ঞা গুলো।

সামষ্টিক অর্থনীতি কি

সামষ্টিক অর্থনীতি কি? পরীক্ষাতে এই প্রশ্নটি আসতে পারে এই প্রশ্নটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত সামস্তিক অর্থনীতি বলতে বোঝায় অর্থনীতির যে শাখা অর্থনৈতিক সমস্যা ও অর্থনৈতিক কার্যাবলী কে ব্যক্তিগত বা খন্ডিত দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা না করে সামগ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা ও আলোচনা করে তাকে বলা হয় সামষ্টিক অর্থনীতি।

আরো পড়ুন: মাত্র ১০ টাকায় ১ জীবী কিনুন এখনই

অর্থাৎ একটি সমস্যা ও বিষয়কে খন্ডিত দৃষ্টিকোণ থেকে কিংবা ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে যদি সামগ্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা হয় অর্থাৎ কিভাবে সমস্যা তৈরি হয়েছে সমস্যা কিভাবে সমাধান হবে যে সমস্ত বিষয় নিয়ে সবকিছু ফুটিয়ে সামগ্রিক আলোচনা করা হয় তাকে সামষ্টিক অর্থনীতি বলা হবে। একটি অর্থব্যবস্থার সামগ্রিক রূপ পর্যালোচনা করাকে অর্থনীতিতে সামষ্টিক অর্থনীতি বলা হয়। 

প্রিয় পাঠকগণ আশা করছি আপনি বুঝতে পেরেছেন সামষ্টিক অর্থনীতি কি। সামষ্টিক অর্থনীতি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত ধারণা পেতে এবং সামষ্টিক অর্থনীতির সংজ্ঞা জানতে নিচে দেখুন। আজকের এই পোস্টে আমরা সামষ্টিক অর্থনীতি সম্পর্কে সবকিছু বিস্তারিত আপনাদের সাথে আলোচনা করব তাই উপকার পেতে আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ দেখতে থাকুন।

সামষ্টিক অর্থনীতির সংজ্ঞা

সামষ্টিক অর্থনীতির সংজ্ঞা খুঁজছেন? তাহলে আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন। আজকের এই আর্টিকেল আমরা সামষ্টিক অর্থনীতির সংগ্রাম দেখব। বর্তমান সময়ে বইয়ের এত কঠিন ভাষায় সংখ্যাগুলো দেওয়া থাকে যা মুখস্ত করা খুবই কঠিন। তাই আজকের এই পোস্টে আমরা দেখব কিভাবে সবচেয়ে সহজ উপায়ে অর্থনীতির সংজ্ঞা মুখস্থ করা সম্ভব। নিচে দেখুন সামষ্টিক অর্থনীতির সংজ্ঞা।

সামষ্টিক অর্থনীতির সংজ্ঞা: সামষ্টিক শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Macro ম্যাক্রো। Macro এই শব্দটি গ্রিক শব্দ যা Makros থেকে উৎপত্তি হয়েছে। Macro শব্দের অর্থ হলো সমগ্র অথবা বৃহৎ। কাজেই শব্দগত অর্থের দিক থেকে বলা যায় যে অর্থনৈতিক যে শাখায় স্বতন্ত্র বিষয় এবং কার্যাবলীকে খন্ড ভাবে অথবা ব্যক্তিগত ভাবে  আলোচনা না করে সামগ্রিক দিক থেকে আলোচনা করা হয় তাকে সামষ্টিক অর্থনীতি বলা হয়।

সামষ্টিক অর্থনীতির প্রামাণ্য সংজ্ঞা

সামষ্টিক অর্থনীতির প্রামাণ্য সংজ্ঞা কি? সামষ্টিক অর্থনীতির প্রামাণ্য সংখ্যা সম্পর্কে জানতে নীচে দেখুন। আজ সামষ্টিক অর্থনীতি সম্পর্কে সবকিছু বিস্তারিত আলোচনা করব। এতে আপনি সামষ্টিক অর্থনীতি সম্পর্কে একটি ক্লিয়ার ধারণা পাবেন।বিভিন্ন অর্থনীতিবিদ সামষ্টিক অর্থনীতি সম্পর্কে বিভিন্ন সংজ্ঞা প্রদান করেছেন তা নিচে দেওয়া আছে,

অধ্যাপক K.E Boulding এর মতে, ”অর্থনীতি কোন ব্যক্তির আয়ের পরিবর্তে জাতীয় আয়, কোন নির্দিষ্ট দ্রব্যমূল্যের পরিবর্তে সাধারণ মূল্যস্তর, দ্রব্যের ব্যক্তিগত উৎপাদনের পরিবর্তে জাতীয় উৎপাদন আলোচনা করে”। অর্থাৎ অর্থনীতি সামগ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করে ব্যাক্তির আয় আলোচনা না করে ব্যক্তিসহ সম্পন্ন দেশের জাতীয় আয় নিয়ে আলোচনা করে।

আরো জানুন: মাদ্রাসায় অনুপস্থিতির জন্য আবেদন লিখুন

নির্দিষ্ট দ্রব্যমূল্যের পরিবর্তে সাধারণ মূল্যস্তর বর্তমান সময়ে অর্থব্যবস্থায় চলমান মূল্যয়স্তর নিয়ে আলোচনা করে দ্রব্যের ব্যক্তিগত উৎপাদনের পরিবর্তে একটি দেশের জাতীয় উৎপাদন নিয়ে আলোচনা করে অর্থাৎ সবকিছুতেই অর্থনীতি সামগ্রিক সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আলোচনা করে। আবার ও.এম. এমোস এর মতে,

”সামস্তিক অর্থনীতি হচ্ছে অর্থনীতির একটি শাখা যে সমগ্র অর্থনীতি নিয়ে আলোচনা করে”। এই সংজ্ঞা দ্বারা বোঝা যায় যে অর্থনীতি অর্থনীতির একটি শাখা যা সমগ্র অর্থনীতি অথবা অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে এবং একটি জাতি নয় একটি ব্যাক্তি নয় বরং দেশের সমগ্র জাতির সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আলোচনা করে। আবার একটি দেশের একটি নাগরিকের আয় নিয়ে নয় বরং সেই দেশের সমগ্র নাগরিকের জাতীয় আয় নিয়ে সামষ্টিক অর্থনীতিতে আলোচনা করা হয়।

অর্থনীতিবিদ জি. এ্যাকলের এর মতে, ”সামষ্টিক অর্থনীতি বৃহদায়তন পরিবেশে অর্থনৈতিক কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনা করে”। অর্থাৎ সামষ্টিক অর্থনীতি শুধুমাত্র বৃহদায়ন পরিবেশ এই অর্থনৈতিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করে অর্থনৈতিক সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আলোচনা করে একটি দেশের উৎপাদন ব্যবস্থা এবং আয় নিয়ে আলোচনা করে। 

প্রিয় পাঠক বৃন্দ আশা করছি ওপরের আলোচনার মাধ্যমে সামষ্টিক অর্থনীতির সংজ্ঞা সম্পর্কে আপনি বুঝতে পেরেছেন ওপরে আমরা তিনটি বিজ্ঞানের সংজ্ঞা নিয়ে আলোচনা করলাম এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কার্যকারী সংজ্ঞা হলো অধ্যাপক K.E. Boulding  এর সামষ্টিক অর্থনীতির সংজ্ঞাটি। তিনি এই সংজ্ঞাটি দিয়ে ব্যাপক খ্যাতি লাভ করেছেন এবং এই সংজ্ঞাটি অনেক বেশি জনপ্রিয়।

প্রিয় পাঠক ওপরের এই আলোচনার মাধ্যমে সামষ্টিক অর্থনীতির সংজ্ঞা সম্পর্কে আপনি বুঝতে পেরেছেন এই সংজ্ঞাগুলো মোবাইল ফোনের স্ক্রিনশট নিয়ে নিন অথবা খাতাই নোট করে রাখুন। সংখ্যাগুলো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি বিজ্ঞানের আলাদা আলাদা করে রাখতে হবে। এবার চলুন তাহলে আমরা ঝটপট দেখে আসি সামষ্টিক অর্থনীতি কাকে বলে?

সামষ্টিক অর্থনীতি কাকে বলে

সামষ্টিক অর্থনীতি সমগ্র অর্থ ব্যবস্থার সাধারণ সমস্যার এবং সমাধান নিয়ে আলোচনা করে। অর্থাৎ অর্থনীতির যে অংশে সমাজের মানুষের অর্থনৈতিক সমস্যা গুলো সামগ্রিক ভাবে একত্র করে বিচার-বিশ্লেষণ এবং পর্যালোচনা করা হয় তাকে সামষ্টিক অর্থনীতি বলা হয়। আবার এভাবেও বলা যায় যে সমগ্র অর্থনীতির সম্বন্ধিত পর্যালোচনা কে সামষ্টিক অর্থনীতি বলে।

অর্থাৎ অর্থনীতির সমগ্র রূপ নিয়ে যে পর্দা তুলনা করা হয় তাকে সামষ্টিক অর্থনীতি বলা হয়। এক্ষেত্রে ব্যক্তির আয়ের পরিবর্তে জাতীয় আই ব্যক্তিগত চাহিদা ও যোগানের পরিবর্তে সামগ্রিক চাহিদা ও যোগান কোন নির্দিষ্ট পণ্যের দামের পরিবর্তে সাধারণ দাম স্তর ইত্যাদি সামষ্টিক চলক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এছাড়াও পূর্বেই ইঙ্গিত করা হয়েছে যে অর্থনীতির আলোচনা এখন আর ব্যক্তি ও পরিবেশ কেন্দ্রিক সমস্যা সমাধানের বিশ্লেষণের মধ্যে তথা ব্যষ্টিক বিশ্লেষণ আবদ্ধ হয়ে নেই। বরং এর আওতার সমাজ রাষ্ট্র ও আন্তরাষ্ট্রীয় পরিমণ্ডলে বিস্তৃত হয়েছে। অর্থাৎ সামষ্টিক অর্থনীতি শুধুমাত্র ব্যক্তি কিংবা পরিবেশ কেন্দ্রিক সমস্যার সমাধানে আবদ্ধ নেই।

এখন সামষ্টিক অর্থনীতি রাষ্ট্র সহ আন্তঃ রাষ্ট্রীয় এবং একটি দেশের সমগ্র অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিয়ে পর্যালোচনা করে। অর্থাৎ একটি দেশের কোটি নাগরিক রয়েছে সেক্ষেত্রে কোটি নাগরিকের মধ্যে থেকে এক লক্ষ কিংবা ২ লক্ষ নাগরিকের সমস্যার সমাধান করা সামষ্টিক অর্থনীতির আওতায় পড়ে না। বরং একটি দেশের সকল নাগরিকের সমস্যার সমাধান করা সামষ্টিক অর্থনীতির কাজ। 

আরো পড়ুনঃ  বর্ণাত্তদের সাহায্যের জন্য আবেদন পত্র সংবাদ পত্র প্রকাশ

যেকোনো অর্থনৈতিক পরিকল্পনা অর্থনীতির নানা খাতকে প্রভাবিত করে যার সামষ্টিক দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা দাবি রাখে। সরকারের রাজস্ব নীতি আর্থিক নীতি ভর্তুকি কিংবা দামি দিয়ে প্রভাব অর্থনীতির নানান ক্ষেত্রে পরিবর্তনের সূচনা করে। এসবের আলোচনায় সামষ্টিক অর্থনীতি দৃষ্টিকোণ থেকেই করতে হয়। 

কৃষি খাতের সমস্যা শিল্প খাতে কে প্রভাবিত করে এবং তা আবার ব্যবসা-বাণিজ্য আমদানি রপ্তানির দাম স্তর কর্মসংস্থান বিনিয়োগের মতো গুরুত্বপূর্ণ চলক সমূহকে প্রভাবিত করে। অন্যভাবে বলা যায় যে এক হাতের পরিবর্তন সমগ্র অর্থনীতিকে নাড়া দেয় যার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ সামষ্টিক দৃষ্টিকোণ থেকেই করতে হয়। 

বাংলাদেশসহ বিশ্বের যে কোন দেশের অর্থনীতির বেলায় একই কথা প্রযোজ্য। অর্থাৎ প্রতিটি দেশে একই নিয়ম অনুসারে অর্থনীতির চলমান রয়েছে। কাজেই অর্থনীতির বিভিন্ন চলক ও খাত সমূহের আত্মসম্পর্ক ও পরস্পর নির্ভরশীলতা সামগ্রিক বিশ্লেষণ প্রভৃতিকে সামষ্টিক অর্থনীতি বলা হয়। এক কথায় সামস্তিক অর্থনীতি বলতে অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সামগ্রিক রূপকে বোঝানো হয়। 

আর এক ভাবেও বলা যায় অর্থনীতি হচ্ছে এমন একটি শাস্ত্র যা সীমিত সম্পদের মাধ্যমে অসীম অভাবকে পূরণের ক্ষেত্রে মানুষের যাবতীয় কর্মসূচি পর্যালোচনা অথবা আলোচনা করে। অর্থনীতি মূলত দুইটি শাখা বিভক্ত তার মধ্যে সামষ্টিক অর্থনীতি অন্যতম। অর্থনীতির এই শাখায় একটি দেশের সামগ্রিক অর্থ ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। 

প্রিয় পাঠক বিন্দু আশা করছি আপনি বুঝতে পেরেছেন সামষ্টিক অর্থনীতি কাকে বলে। অর্থনৈতিক সামগ্রিক রূপ নিয়ে পর্যালোচনা করাকে সামষ্টিক অর্থনীতি বলে। আবার এভাবেও বলা যায় যে অর্থনীতিতে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করাকে সামষ্টিক অর্থনীতি বলা হয়। এবার চলুন আমরা দেখে আসি মূল্যস্তর অর্থনৈতিক চলক বলতে কি বুঝ অথবা সামষ্টিক চলকের ধারণা বর্ণনা। 

সামষ্টিক অর্থনৈতিক চলক কাকে বলে

আপনি কি জানতে চান সামষ্টিক অর্থনৈতিক চলক কাকে বলে? উপরে আমরা দেখলাম সামষ্টিক অর্থনীতি কাকে বলে এবং সামষ্টিক অর্থনীতির সংজ্ঞা গুলো তবে এবার আমরা দেখব সামষ্টিক অর্থনৈতিক চলক কাকে বলে। সামষ্টিক অর্থনীতির চলক অনেক গুরুত্বপূর্ণ তাই আমাদেরকে জানতে হবে সামষ্টিক অর্থনৈতিক জনক কাকে বলে এবং সামষ্টিক চলকের ধারণা বর্ণনা। নিচে দেখুন সামষ্টিক অর্থনৈতিক চলক এবং চলকের বন্যনা দেওয়া রয়েছে।

অর্থনীতির যে শাখায় কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলী স্বতন্ত্রভাবে আলোচনা না করে। গোটা অর্থব্যবস্থায় কিভাবে কাজ করে তার সামগ্রিক বিশ্লেষণ করে তাকে সামষ্টিক অর্থনীতি বলে। আর সামষ্টিক অর্থনীতিতে যে সকল চলক পরিলক্ষিত হয় সেগুলোই সামষ্টিক অর্থনীতির চলক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

অর্থাৎ সামষ্টিক অর্থনীতিতে কিংবা সামগ্রিক অর্থ ব্যবস্থাতে যে সমস্ত চলক গুলো আমরা দেখতে পাই সেগুলোই আসলে সামষ্টিক অর্থনৈতিক চলক। সামষ্টিক অর্থনীতির চলকের একটি সুন্দর সংজ্ঞা রয়েছে সে সংজ্ঞা সম্পর্কে জানতে নীচে দেখুন সামষ্টিক অর্থনীতির চলকের সংজ্ঞা।

সামষ্টিক অর্থনীতির চলকের সংজ্ঞা 

সামষ্টিক অর্থনীতির চলকের সংজ্ঞা খুঁজছেন? সামষ্টিক অর্থনীতির নির্ধারিত একটি সঙ্গা রয়েছে এবং এই সংজ্ঞাটি বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করা হয়। আপনারা যারা অর্থনৈতিক স্টুডেন্ট রয়েছেন তাদেরকে এই সংখ্যাটি মুখস্ত করা খুবই জরুরী। পরীক্ষা তে অনেক সময় সামষ্টিক অর্থনৈতিক চলকের সঙ্গা আসে তাহলে চলুন আমরা দেখে আসি সামষ্টিক অর্থনীতির চলকের সংজ্ঞাটি।

নির্দিষ্ট সময় ও আওতার মধ্যে যে রাশির পরিবর্তনের সুযোগ থাকে তাকে চলক বলে। তবে সমগ্র অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে যে সকল রাশি বা উৎপাদনের পরিবর্তনের সুযোগ থাকলে তাদেরকে সামষ্টিক অর্থনৈতিক চলক বলে। সামষ্টিক অর্থনৈতিক চলক বিভিন্ন সামষ্টিক অর্থনৈতিক মডেলের ব্যবহৃত হয়।  যেমন উদাহরণস্বরূপ: জাতীয় আয় মডেলে ভোগ ব্যয়, বিনিয়োগ ব্যয়, সঞ্চয়, সরকারি ব্যয়, কর, আমদানি ও রপ্তানি ইত্যাদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক চলক।

সামস্তিক অর্থনৈতিক চলক সমূহের মধ্যে কিছু স্বাধীন চলক এবং কিছু অধিন চলক রয়েছে। সামষ্টিক অর্থনীতির এই সকল স্বাধীন চলক ও অধীন চলকের মধ্যে নির্ভরশীলতার সম্পর্ক আবদ্ধ হয়ে সামষ্টিক আপেক্ষিক গঠন করে। সামষ্টিক চলক বিবেচনার সময় দেখা যায় যে কতগুলো সামাজিক চলক নিয়ে আবার একটি সার্বিক চলক হয়।

সার্বিক চালককে যদি সামষ্টিক চলক বলা হয় তবে যাদের সমন্বয়ে যেই সার্বিক চলকটি পাওয়া যায় তাদেরকে উপ সামষ্টিক চলক বলা।  উপরের উদাহরণে জাতীয় আয় হলো সার্বিক চলক এবং ভোগ ব্যয় সঞ্চয় সরকারি ব্যয় কর আমদানি ও রপ্তানি ইত্যাদি উপ সামষ্টিক চলক। প্রিয় পাঠক বৃন্দ আশা করছি আপনি বুঝতে পেরেছেন সামষ্টিক চলক কাকে বলে এবং উপ সামষ্টিক চলক কাকে বলে।

পরিশেষে বলা যায় যে একটি দেশের সমগ্র অর্থনীতিতে যে সকল রাশি বা উপাদানের পরিবর্তনের সম্ভাবনা বা সুযোগ থাকে তাদেরকেই সামষ্টিক অর্থনীতির চলক বলা হয়। সামষ্টিক চলকের মধ্যে জাতীয় আয়, সঞ্চয়, ভোগ ব্যয়, সরকারি ব্যয়, আমদানি, গড় রপ্তানি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য উপাদান।

উপ সামষ্টিক এবং সামস্তিক চলকের মধ্যে একটি পার্থক্য হল উপ সামষ্টিক চলকের মধ্যে সরকারি ব্যয় সঞ্চয় ভোগ ব্যয় এবং আমদানি ও রপ্তানি রয়েছে আর সার্বিক চলককেই সামস্তিক চলক বলা হয়। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা সামষ্টিক অর্থনীতি নিয়ে সবকিছু বিস্তারিত আলোচনা করলাম আশা করছি আজকের এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনি উপকৃত হয়েছেন।

আধুনিক অর্থনীতির জনক কে 

আধুনিক অর্থনীতির জনক কে? উপরে আমরা দেখলাম অর্থনীতির জনক কে তবে আধুনিক অর্থনীতির জনক আবার কে? আমাদের প্রত্যেকের মনে এই দুইটি প্রশ্ন বড্ড কনফিউশন সৃষ্টি করে যে অর্থনীতির জনক আবার আধুনিক অর্থনীতির জনক কে? ওপরে তো আমরা দেখলাম অর্থনীতির জনক অ্যাডাম স্মিথ তাহলে আধুনিক অর্থনীতির জনক কে? 

আধুনিক অর্থনীতির জনক হল পল স্যামুয়েলসন। পল স্যামুয়েলসন এর অর্থনৈতিক সংজ্ঞাটি অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য হিসেবে প্রত্যেকেই মনে করেছেন যার কারণে বর্তমান সময়ে আধুনিক অর্থনীতির জনক হিসেবে পল স্যামুয়েলসনকে আখ্যায়িত করা হয়েছে। ১৯৭৬ সালে মহান অর্থনীতিবিদ অ্যাডাম স্মিথকে অর্থনীতির জনক হিসেবে জানা যেত।

কিন্তু পরবর্তী সময়ে পল স্যামুয়েলসন অর্থনীতির একটি সংজ্ঞা প্রদান করেন যেখানে লেখা থাকে মানুষের অসীম অভাবকে কিভাবে সীমিত সম্পদের মাধ্যমে পূরণ করা যায় একই অর্থনীতি বলা হয়। অথবা অর্থনীতি শাস্ত্রী আলোচনা করা হয় যে অসীম অভাবকে সীমিত সম্পদের মাধ্যমে পূরণ করার উপায় গুলো ।

পল স্যামুয়েলসন এই সংজ্ঞাটি দেওয়ার পর অনেক বেশি খ্যাতি লাভ করে এবং তাকে আধুনিক অর্থনীতির জনক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ আশা করছি তোমরা বুঝতে পেরেছ আধুনিক অর্থনীতির জনক কে। আধুনিক অর্থনীতির জনক হল পল স্যামুয়েলসন। এবার চলুন আমরা দেখে আসি অর্থনীতি কাকে বলে ৫ম শ্রেণি।

অর্থনীতি কাকে বলে ৫ম শ্রেণি

৫ম শ্রেণিতে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য অর্থনীতির ব্যাখ্যা খুবই সহজ এই এক লাইনের ব্যাখ্যাটি পরীক্ষায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে তুমি যদি এই এক লাইনটি হুবহু খাতায় লিখতে পারো তাহলে ফুল মার্ক লাভ করতে পারবেন। বর্তমান সময় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সম্পর্কিত আমরা প্রত্যেকেই জানি। 

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিহারে যদি চলেছে এর পিছে বিভিন্ন কারণ রয়েছে সেই সমস্ত বিষয় সম্পর্কে আমরা অন্যদিন জানব আজকে আমরা অর্থনীতি কাকে বলে এবং এর সংজ্ঞা গুলো দেখব। নিচে দেখো অর্থনীতি কাকে বলে ৫ম শ্রেণি সংজ্ঞা দেওয়া রয়েছে।

”মানুষের অসীম অভাব কিভাবে সীমিত সম্পদের মাধ্যমে পূরণ করা যায় সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে যে আলোচনা করা হয় তাকে অর্থনীতি বলা হয়”। আমাদের প্রত্যেকের জীবনে অভাবের কোন শেষ নাই। আমাদের আজকে এই জিনিসের অভাব অনুভূত হয়, কালকে আরেকটি জিনিসের অভাব অনুভূত হয়।

অর্থাৎ আমাদের মানব জীবনে অভাবের কোন শেষ নেই কিন্তু সম্পদ তো সীমিত। এই সীমিত সম্পদ নিয়ে কিভাবে অসীম অভাবকে পূরণ করা যায় সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে অর্থনীতিতে আলোচনা করা হয়। মানুষের জীবন যাত্রার মানকে আরও বেশি উন্নত করার জন্য এবং অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটনার জন্য অর্থনীতির আবিষ্কার হয়। 

তোমাকে এত ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন নেই শুধুমাত্র উপরের এই লাইনটি খাতায় উল্লেখ করবে যে ”মানুষের অসীম অভাব কিভাবে অল্প সম্পদ অথবা সীমিত সম্পদের মাধ্যমে পূরণ করা যায় সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে যেখানে আলোচনা করা হয় তাকে অর্থনীতি বলা হয়”। প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ আশা করছি তোমরা বুঝতে পেরেছ যে অর্থনীতি কাকে বলে ৫ম শ্রেণি। এবার চলো আমরা দেখে আসি অর্থনীতি কাকে বলে ৭ম শ্রেণি।

অর্থনীতি কাকে বলে ৭ম শ্রেণি

পঞ্চম শ্রেণীতে তুলনায় সপ্তম শ্রেণীতে অর্থনীতি কাকে বলে? এই ব্যাখ্যাটি আরো একটু স্পষ্টভাবে লিখতে হবে। এবং খাতায় ব্যাখ্যা লিখতে হবে  অর্থনীতি কাকে বলে সেই সম্পর্কে। অর্থনীতি কাকে বলে প্রথমে একটি সংজ্ঞা দিতে হবে তারপর সংজ্ঞার নিচে অল্প ব্যাখ্যা উল্লেখ করে দিতে হবে। চলো তাহলে আমরা ঝটপট দেখে আসি অর্থনীতি কাকে বলে ৭ম শ্রেণি।

”অর্থনীতি হল এমন একটি সমাজবিজ্ঞান যা মানুষের সীমিত সম্পদ এবং অসীম অভাবের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে এবং মানব জীবনকে আরো উন্নত করে তোলে”। অর্থনীতি মানব জীবনে কল্যাণ স্বরূপ। এবং অর্থনীতির উদ্দেশ্য হলো মানুষের সীমিত সম্পর্কে সর্বোত্তম ব্যবহার করা এবং সীমিত সম্পদের মাধ্যমে অসীম অভাবকে পূরণ করা। অর্থনীতির প্রথম ধাপ হল যদি সম্পদের হার সীমিত হয় তাহলে নির্বাচন করতে হবে। 

আমাদের প্রত্যেকের জীবনের সম্পদের হার অনেক সীমিত যার কারণে আমাদেরকে নির্বাচন প্রক্রিয়া অবলম্বন করে অভাব পূরণ করতে হয় অর্থাৎ আমাদের সবচেয়ে বেশি অভাবটি আগে পূরণ করতে হয়। সহজ ভাষায় বলি নির্বাচন বলতে বোঝায়, অনেকগুলো অভাবের মধ্যে থেকে যেই অভাবটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেই অভাবটি সবার আগে পূরণ করা।

অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপের নাম হলো নির্বাচন। আশা করছি তুমি নির্বাচন সম্পর্কে বুঝতে পেরেছ।  অর্থনীতি কাকে বলে ৭ম শ্রেণি সংজ্ঞাটি একটু বড় তবে বুঝে পড়লে তোমার কাছে সহজ মনে হবে। প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ আশা করছি তুমি বুঝতে পেরেছ অর্থনীতি কাকে বলে ৭ম শ্রেণি সম্পর্কে।

পাঠকদের কিছু প্রশ্ন 

অর্থনীতির জনক কে? 

অর্থনীতির জনক কে? অনেকের মনে এই প্রশ্নটার নিশ্চয়ই আসে, যে অর্থনীতির জনক কে? অর্থনীতির জনক হল আদম স্মিথ ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত একটি গ্রন্থে অ্যাডাম স্মিথ এর সংজ্ঞাটিক প্রকাশ পায় যার ফলে অ্যাডাম স্মিথকে অর্থনীতির জনক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় কারণ সেই সংজ্ঞাটির মাধ্যমে অর্থনীতির সম্পূর্ণ অর্থ ফুটে ওঠে। সেই সংজ্ঞাটি প্রদান করার মাধ্যমে এডাম স্মিথ প্রচুর খ্যাতি লাভ করেছিলেন। 

আধুনিক অর্থনীতির জনক কে?

আধুনিক অর্থনীতির জনক কে? অর্থনীতির জনক হল এডাম স্মিথ তাহলে আধুনিক অর্থনীতির জনক অ্যাডাম স্মিথ হবে? ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত একটি গ্রন্থে অ্যাডাম স্মিথের সেই বিখ্যাত অর্থনৈতিক সংখ্যাটি প্রকাশ পেয়েছিল যার ফলে এডাম স্মিথকে অর্থনীতির জনক বলা হয় তবে সময়ের ব্যবধানে পল স্যামুয়েলসনকে এখন আধুনিক অর্থনীতির জনক হিসেবে জানা হয়। 

অ্যাডাম স্মিথ কত সালে অর্থনীতির জনক হিসেবে আখ্যা পায়? 

১৯৭৬ সালে অ্যাডাম স্মিথ অর্থনীতির জনক হিসেবে আখ্যা পেয়েছিল। 

অর্থনীতির সংজ্ঞা কোথায় পাবো?

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দরা তোমরা কি অর্থনীতির সঙ্গা খুঁজছো? বিভিন্ন অর্থনীতিবিদ অর্থনীতিকে বিভিন্ন সংজ্ঞায় প্রকাশ করেছেন তবে আজকের এই পোস্টে আমরা সবচেয়ে সহজ ভাষায় তোমাদের সাথে অর্থনীতির সংজ্ঞা শেয়ার করলাম। তোমরা যদি বউয়ের ভাষায় অর্থনীতির সংজ্ঞা মুখস্থ করতে অভ্যস্ত না হয়ে থাকো তাহলে তোমরা তোমাদের নিজের ভাষায় অর্থনীতিকে বিচার বিশ্লেষণ করবে।

পাঠকদের কিছু প্রশ্ন 

সামষ্টিক অর্থনীতি এর জনক কে? 

সামষ্টিক অর্থনীতির ন মেনার্ড কেইন্স।

সামষ্টিক অর্থনীতি কাকে বলে?

সামষ্টিক অর্থনীতি কাকে বলে? অর্থব্যবস্থায় যখন ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা না করে সামগ্রিক দিক থেকে আলোচনা করা হয় তখন থেকে সামষ্টিক অর্থনীতি বলে অর্থাৎ একটি অর্থব্যবস্থার সামগ্রিক সমস্যা ও সমাধান সম্পর্কে সাধারণ পর্যালোচনা করা কি সামষ্টিক অর্থনীতি বলা হয়। প্রিয় পাঠক বৃন্দ আপনারা যদি সামষ্টিক অর্থনীতি কাকে বলে এবং সামষ্টিক অর্থনীতির সংবাদ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন করতে চান তাহলে উপরে দেখুন আমরা সামষ্টিক অর্থনীতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

লেখকের শেষ কথাঃ সামষ্টিক অর্থনীতি কাকে বলে – সামষ্টিক অর্থনীতির সংজ্ঞা 

প্রিয় পাঠক বৃন্দ আজকের এই পোস্টে আমরা সামষ্টিক অর্থনীতি কাকে বলে সামষ্টিক অর্থনীতির সংঘাত দাও এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক চালক বলতে কি বুঝ সাথে সামষ্টিক অর্থনৈতিক চালক কি এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক চালকের সংখ্যাগুলো ব্যাখ্যা করলাম।। আপনারা যারা অর্থনৈতিক বিভাগের শিক্ষার্থী রয়েছেন তাদের জন্য সবার প্রথমে জানতে হবে সামষ্টিক অর্থনীতি কাকে বলে কারণ সামষ্টিক অর্থনীতি এটি একটি আলাদা সাবজেক্ট। 

সামষ্টিক অর্থনীতি সম্পর্কে না জানলে কখনোই পরীক্ষাতে ভালো-মার্ক অর্জন করতে পারবেনা সামষ্টিক অর্থনীতি সম্পর্কে ভালোভাবে না জানলে না পড়লে সংজ্ঞা না জানলে পরীক্ষা দিয়ে পাস করা খুবই মুশকিল। এজন্য সামষ্টিক অর্থনীতি ব্যষ্টিক অর্থনীতি এ সমস্ত সাবজেক্টের ব্যাসিক ধারণা সম্পর্কে আগে জেনে নিতে হবে। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা সামষ্টিক অর্থনীতির বেসিক ধারণা এবং সামষ্টিক অর্থনীতির সংজ্ঞা গুলো শেয়ার করলাম।

সামষ্টিক অর্থনীতি সম্পর্কে বিভিন্ন অর্থনীতিবিদ বিভিন্ন প্রকার ব্যাখ্যা দিয়েছেন সে ব্যাখ্যাগুলো ওপরে আমরা আলোচনা করলাম উপরের এই সংজ্ঞা গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই প্রতিটি সংজ্ঞা গুরুত্ব সহ মুখস্ত করুন এবং খাতায় নোট করে রাখুন। এছাড়াও আজকের এই পোস্টে আমরা সামস্তিক অর্থনীতি সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান শেয়ার করলাম এছাড়াও আজকের এই পোস্টে আমরা সামস্তিক অর্থনীতি সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান শেয়ার করলাম। 

সামষ্টিক অর্থনীতি সম্পর্কে প্রথমে আমাদেরকে বেসিক ধারণা গুলো জানতে হবে তাহলে সামষ্টিক অর্থনীতি পড়া বেশ সহজ মনে হবে। তাই আমরা উপরে সহজ ভাষায় নিজের ভাষায় সামষ্টিক অর্থনীতি সম্পর্কে কিছু ব্যাসিক ধারণা শেয়ার করলাম। বিভিন্ন লেখকের বইয়ে সামষ্টিক অর্থনীতিকে বিভিন্ন ভাষায় দেওয়া রয়েছে অনেকের কাছে বইয়ের ভাষা পড়তে খুব কষ্ট হয় সে ক্ষেত্রে উপরে আমরা সম্পূর্ণ সহজ এবং নিজের ভাষায় সামষ্টিক অর্থনীতির সম্পর্কে কিছু তথ্য শেয়ার করলাম। 

Leave a Comment

error: Content is protected !!