২০২৫ সালের রোজার ঈদ কত তারিখে বাংলাদেশ জানতে চান? তাহলে আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন। আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করব 2025 সালের রোজা কত তারিখে এবং 2025 সালের কোরবানির ঈদ কত তারিখে পাশাপাশি ২০২৫ সালের রমজান মাসের ক্যালেন্ডার এই আর্টিকেলে শেয়ার করব।

আপনি যদি আজকের এই আর্টিকেলটি সম্পন্ন পড়েন তাহলে আপনি জানতে পারবেন ২০২৫ সালের রোজার ঈদ কত তারিখে বাংলাদেশ ২৮ মার্চ নাকি ২৯?? চলুন তাড়াতাড়ি দেখে আসি 2025 সালের কোরবানির ঈদ কত তারিখে এবং 2025 সালের রোজা কত তারিখে??
২০২৫ সালের রোজার ঈদ কত তারিখে বাংলাদেশ
ঈদ নিয়ে আমাদের প্রত্যেকের মনেই কৌতূহল রয়েছে ঈদ মানেই খুশির দিন ঈদ মানেই আনন্দ এবং উল্লাস। সকালে উঠে ঈদের নামাজ আদায় করে আসার পর বাসায় সুস্বাদু দুর্দান্ত দুধ দিয়ে সেমাই রান্না মায়ের হাতের বিভিন্ন তরকারি এবং বন্ধু-বান্ধবের সাথে নতুন পাঞ্জাবি,
নতুন পোশাক পড়ে ঘুরতে যাওয়ার এই আনন্দগুলো শুধুমাত্র ঈদের দিনেই পাওয়া যায় এজন্য ঈদের দিনটি আমাদের প্রত্যেকের জন্য খুবই আনন্দ এবং উল্লাসের। পবিত্র একমাস রমজান মাসের পর আমরা এই আনন্দের ঈদের দিন পাই। প্রতি বছরে একবার ঈদুল ফিতরে হয়
এজন্য ঈদুল ফিতরের আনন্দ অনেক বেশি ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আশেপাশে প্রতিটি রাস্তায় সাজানো হয় সুন্দর করে প্রতিটি জায়গায় ঈদের গান বাজানো হয় এই সব মিলিয়ে আমরা যেন ঈদের আনন্দে মেতে উঠি। তাই অনেকের মনেই এই নিয়ে বিভিন্ন কৌতুহল দেখা যায় যে ঈদ কত তারিখে?
আরো পড়ুন: ৩০ রোজার ফজিলত দলিল সহ রোজা না রাখলে ভয়ংকর ক্ষতি হবে
ঈদে আমরা নতুন পোশাক নিয়ে থাকি নতুন পোশাক পড়ে বন্ধু বান্ধবের সাথে একসাথে ঘুরতে যাওয়ার আনন্দময় এসব কিছু নিলেই আমাদের জীবন। ৩০ দিন সিয়াম সাধনার পরে আসে এই পবিত্র ঈদের দিন। ঈদের দিনে আমরা আমাদের সব দুঃখ কষ্টগুলোকে ভুলে আবারও সবার সাথে মিলেমিশে বসবাস করি।
এই ঈদ শুধুমাত্র মুসলমানদের জন্য। পবিত্র এক মাস রোজা পালনের পর ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয় এই ঈদকে রোজার ঈদ বলা হয়। অনেকেই জিজ্ঞাসা করছেন ২০২৫ সালের রোজার ঈদ কত তারিখে? আমাদের প্রত্যেকের মাঝেই এই একটি কৌতূহল রয়েছে যে কবে ঈদ হবে? কবে ঈদ হবে?
কবে নতুন জামা কিনব? কবে নতুন জামা কিনে বাইরে বন্ধুদের সাথে ঘুরে বেড়াবো? এই কৌতূহল গুলো আমাদের জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটায়। তাই আসুন আমরা জেনে নেই যে ২০২৫ সালের রোজার ঈদ কত তারিখে বাংলাদেশ?
২০২৫ সালের রোজার ঈদ কত তারিখে বাংলাদেশ
যদি ৩০ টি রোজা পূর্ণ হয় তাহলে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হবে 31 শে মার্চ এবং যদি ৩০ টি রোজা না বুঝে অর্থাৎ 29 রোজাতেই যদি আকাশে চাদ দেখা যায় তাহলে আগামী 30 মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর অথবা রোজার ঈদ উদযাপন করা হবে।
অনেকে মনে করেছিলেন ২৮ তারিখে কিংবা ২৯ মার্চ তারিখে ঈদ হবে কিন্তু এই ধারণাগুলো সম্পূর্ণ ভুল যেহেতু দুই মার্চ থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে সে ক্ষেত্র পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে 30 মার্চ অথবা ৩১ মার্চ।
বাংলাদেশ পবিত্র ঈদুল ফিতর সৌদি আরব অথবা বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশের পরে অনুষ্ঠিত হয়। অর্থাৎ যদি ৩০ মার্চ সৌদি আরবে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়ে থাকে তাহলে তার পরের দিন 31 মার্চ বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। আর যদি ২৯ মার্চ সৌদি আরবে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়ে থাকে
তাহলে 30 মার্চ আমাদের বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। যদি ৩০ মার্চ পবিত্র ঈদুল ফিতর হয় তাহলে 2025 সালে রমজান মাসে ৩০ টি রোজা পাওয়া যাবে না আর যদি ৩১ মার্চ ঈদুল ফিতরের উদযাপিত হয় তাহলে আমরা আরও একটি রোজা করার সুযোগ পাবো
এবং ৩০ টি রোজা পূর্ণ করতে পারবো। আশা করছি আপনারা সকলেই নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন ২০২৫ সালের রোজার ঈদ কত তারিখে বাংলাদেশ? বাংলাদেশ ২০২৫ সালের রোজার ঈদ হলো ৩০ তারিখে অথবা ৩১ মার্চ তারিখে। এবার চলুন দেখে আসি 2025 সালের কোরবানির ঈদ কত তারিখে?
2025 সালের কোরবানির ঈদ কত তারিখে
ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ার পরেই আবারো কোরবানির ঈদ উদযাপন করা হয় প্রতি বছরের মুসলিম ধর্মে দুইটি ঈদ উদযাপন করা হয় ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহা। ঈদুল ফিতরকে বলা হয় রোজার ঈদ এবং ঈদ উল আজহাকে বলা হয় কোরবানি ঈদ।
এই কোরবানি ঈদে নিয়ে আমাদের মুসলিম ইতিহাসে বেশ তথ্য রয়েছে। এই দিনটিকে স্মরণ করে রাখার জন্য প্রতিবছরে এই কোরবানি ঈদ পালন করা হয়। অনেকে জিজ্ঞাসা করেন যে ইদুর ফিতরের পর কোরবানির ঈদ কবে উদযাপিত হবে? আমরা প্রত্যেকেই জানি যে ঈদুল ফিতরের দুই মাস পরে ঈদুল আযহা অথবা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হয়।
2025 সালের কোরবানির ঈদ কত তারিখে
এক্ষেত্রে যদি ৩০ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয় তাহলে আগামী জুন মাসের ৬ তারিখে ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে। ঈদুল আযহা অথবা কোরবানি ঈদ আগামী জুন মাসের ৬ তারিখ অথবা সাত তারিখের উদযাপিত হবে। ঈদুল আযহা কে আমাদের দেশের ভাষাতে আমরা কোরবানি ঈদ বলে থাকি।
ঈদুল আযহার এই দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন এই দিনে মূলত ত্যাগ করা হয় এজন্য ঈদুল আযহা এই দিনটিকে অনেকে ত্যাগের উৎসব বলেন এই উৎসবের মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো শুধুমাত্র নিজের কাছের কোন জিনিসকে ত্যাগ করা।
এই দিনে প্রত্যেকের নিজেদের সামর্থ্য অনুসারে গরু ছাগল কিংবা ভেড়া উট অথবা মহিষ সৃষ্টিকর্তা নামে ত্যাগ করেন। এই দিনকে বলা হয় কোরবানির ঈদ যা ২০২৫ সালে কোরবানির ঈদ উদযাপিত হতে চলেছে আগামী জুন মাসের ৬ তারিখে। আশা করছি আপনারা সকলেই বুঝতে পেরেছেন 2025 সালের কোরবানির ঈদ কত তারিখে?? 2025 সালের কোরবানির ঈদ জুন মাসে ৬ তারিখে।
2025 সালের রোজা কত তারিখে
আপনি কি জানেন 2025 সালের রোজা কত তারিখে?? পবিত্র এই রমজান মাস প্রতিটি মুসলিমের জন খুবই গুরুত্বপূর্ণ এই দিনে বহু প্রতিরোধ পাওয়া যায়। পবিত্র এই রমজান মাসে আমাদের পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল হয়েছে। এজন্য এই রমজান মাসের এত বেশি ফজিলত জাম এক দুই দায়রে বলে ব্যাখ্যা করার সম্ভব নয়।
এই মাসে আপনি যা ইবাদত করবেন তার বহুগুণ পরিমাণ সব লাভ করতে পারবেন। তাই হাদিসে রয়েছে তোমরা রমজান মাসে বেশি বেশি ইবাদত করো এবং বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনা করো। রমজান মাস শুধু মাত্র সিয়াম পালনের মাস নয় বরং এই মাসটি হল আমাদের নিজেদের আত্মশুদ্ধির মাস।
আরো পড়ুন: melatrin cream কি কাজ করে জানলে অবাক হবেন
এই মাসের উসিলায় আমরা আমাদের জীবনের সমস্ত গুনাহ ও খাতার মাফি নিতে পারি সৃষ্টিকর্তার নৈকট লাভ করতে পারি তাই এই মাসটি আমাদের প্রত্যেকে প্রচুর ইবাদত করতে হবে এবং প্রতিমুহূর্তে সৃষ্টি কর্তা নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। হাদিসে রয়েছে প্রতিটি রোজার বহু ফজিলত পাওয়া যায় যেমন এক একটি রোজা রাখলে
সৃষ্টিকর্তা আমাদের পিছের ৪০ বছরের যাবতীয় গুনাহ মাফ করে দিবেন এবং আমাদের জন্য জান্নাতে একটি আলাদা শহর তৈরি করে দিবেন অতএব আমাদের প্রত্যেকের উচিত এই রমজান মাসে রোজা পালন করা এবং সৃষ্টিকর্তা নিকট বেশি বেশি তওবা পাঠ করা।
এই রমজান মাসের উছিলাতে আমরা সৃষ্টিকর্তার নৈকট ও লাভ করার পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে সব লাভ করতে পারব এই মাসে আপনি যা ইবাদত করবেন তার বহুগুণ পরিমাণ সওয়াব লাভ করতে পারবেন তাই নিঃসন্দেহে অন্যান্য মাসে তুলনায় এই পবিত্র রমজান মাস কি আমাদের মুসলিমদের জন্য খুবই ফজিলত সম্পন্ন এবং বরকতপূর্ণ।
তাই আমাদের প্রত্যেককে জানতে হবে যে ২০২৫ সালের রোজা কত তারিখে হতে চলেছে? ২০২৫ সালে পবিত্র রমজান মাসের প্রথম রোজা অনুষ্ঠিত হবে ২ মার্চ থেকে। সৌদি আরবের ২৮ মার্চ রমজানের চাঁদ দেখা গেছে। অতএব প্রতিবছর সৌদি আরবের একদিন পরে বাংলাদেশের রমজান এবং ঈদ হয়।
সে ক্ষেত্রে যদি 28 তারিখের সৌদি আরবে চাঁদ দেখা যায় তাহলে ১ মার্চ প্রথম রোজা সৌদি আরবে হবে তাহলে বাংলাদেশের দ্বিতীয় মার্চ প্রথম রোজা অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশে ২০২৫ সালের প্রথম রোজা হবে দুই মার্চ থেকে। যদি ৩০ টি রোজা সম্পূর্ণ হয় তাহলে বাংলাদেশের রোজার ঈদ হবে 31 মার্চ।
আর যদি ৩০ টি রোজা সম্পূর্ণ না হয় তাহলে বাংলাদেশের রোজার ঈদ হবে ৩০ মার্চ। প্রিয় পাঠক বৃন্দ আশা করছি আপনারা সকলেই নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন 2025 সালের রোজা কত তারিখে এবার চলুন আমরা দেখে আসি ২০২৫ সালের ঈদ কত তারিখ?
২০২৫ সালের ঈদ কত তারিখ
ইতি মধ্যেই আশা করছি আপনারা সকলেই বুঝতে পেরেছেন যে ২০২৫ সালের ঈদ কত তারিখে হতে চলেছে? এখনো এটি নিশ্চিত বলা সম্ভব নয় যে কত তারিখে ঈদ উদযাপিত হবে কারণ ঈদ নির্ভর করে আকাশের চাঁদের ওপর যদি আকাশের চাঁদ ২৯ মার্চ দেখা যায় তাহলে ২৯ টি রোজা সম্পন্ন হবে
এবং আগামী ৩০ মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে আর যদি ৩০ টি রোজা সম্পন্ন হয় তাহলে আগামী 31 মার্চ ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। এখন আপনাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে তাহলে ঈদুল আযহা কবে উদযাপিত হবে? ঈদুল ফিতরের দুই মাস পরে ঈদুল আযহা উদযাপিত হয় যদি ঈদুল ফিতর ৩১ মার্চ উদযাপিত হয়
তাহলে ঈদুল আযহা জুন মাসের ৬ তারিখে উদযাপিত হবে। আশা করছি আপনারা সকলেই নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন ২০২৫ সালের ঈদ কত তারিখে এবার চলুন দেখে আসি শবে বরাত ২০২৫ কত তারিখে?
শবে বরাত ২০২৫ কত তারিখে
আপনারা অনেকেই জিজ্ঞাসা করেন যে শবে বরাত কত তারিখে? মুসলিম ধর্মে শবেবরাত এই দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন এই দিনে বেশি বেশি ইবাদত করতে হবে এবং সৃষ্টিকর্তার নিকট দোয়া প্রার্থনা করতে হবে। পবিত্র শবে বরাত ২০২৫ সালের ১৩ ই ফেব্রুয়ারি। পবিত্র শবে বরাত তিনদিন মান্য করা হয়। এবং এই তিন দিন রোজা রাখা হয়। এই তিন দিন মুসলিম ধর্মের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ আশা করছি আপনারা সকলে বুঝতে পেরেছেন শবে বরাত ২০২৫ কত তারিখে?
শবে কদর ২০২৫ কত তারিখে
আপনি কি জানেন ২০২৫ সালের কত তারিখে শবে কদর হবে? বাংলাদেশে বেশিরভাগ মানুষই সাতাশি রমজানের দিনে এই শবে কদর এর ইবাদত করে থাকেন কিন্তু ২৭ এ রমজানের দিনে শবে কদর হবে এমন কোন নিশ্চয়তা নেই। রমজান মাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস এই মাসে পবিত্র কোরআন শরীফ নাযিল হয়েছে।
প্রতিটি মুসলিম ব্যক্তির আলোর পথ আলোর দিশারী হলো এই কুরআন শরীফ। রমজান মাসের শেষ দশ দিনের বিজোড় দিনে শবে কদর হতে পারে সেক্ষেত্রে সাতাসো রমজানেই শবে কদর হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই শেষ দশ দিনের যেকোনো একটি দিনে শবে কদর হয়।
আরো পড়ুন: অনলাইনে নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম 1 মিনিটে আইডি কার্ড তৈরি
রমজানের শেষ ১০ দিন বলতে বোঝায় যেমন একুশে রমজান ২৩ শে রমজান ২৫ শে রমজান ২৭ এ রমজান। এই চারটি দিনের যেকোনো একটি রাতে শবে কদর হবে। শবে কদরের এমন একটি রাত যে রাতে সৃষ্টিকর্তার জন্য ইবাদত করা হয় এবং সৃষ্টিকর্তা তাদের বান্দাদেরকে জিজ্ঞাসা করেন,
”হে আমার বান্দাগণ তোমরা আমার থেকে কি চাও তোমাদের মনের আশা কি আমার কাছে চাও আমি তোমাদের প্রত্যেকের মনের আশা পূরণ করব”। এটি বলতে থাকেন এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতিটি বান্দার মনের আশা কি পূরণ করেন এই জন্য এই শবে কদরের রাতটি প্রতিটি মুসলিম ব্যক্তির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এই রাতে চাওয়া কোন দোয়া কখনোই অপূরণ থাকে না।
তাই আমাদের প্রত্যেকে জানতে হবে যে পবিত্র শবে কদর কত তারিখে হবে?? আমরা মনে করি শুধুমাত্র সাতাশে রমজান এই তারিখে পবিত্র শবে কদর হয় কিন্তু এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল পবিত্র রমজান মাসের শেষ বেজোড় দিনগুলোতে শবে কদর হয়। তাই একুশে রমজান ২৩ শে রমজান ২৫শে রমজান এবং 27 শে রমজান
এই 3 টি দিনে আপনাদেরকে সৃষ্টিকর্তার ইবাদত করতে হবে এবং তার ইবাদতে রাত্রি পার করতে হবে। সৃষ্টিকর্তার নিকট বেশি বেশি দোয়া প্রার্থনা করতে হবে, ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। প্রিয় পাঠক বৃন্দ কোণ আশা করছি আপনারা সকলেই বুঝতে পেরেছেন 2025 সালের শবে কদর কত তারিখে হবে? এবার চলুন দেখে আসি ২০২৫ সালের রমজান মাসের ক্যালেন্ডার।
২০২৫ সালের রমজান মাসের ক্যালেন্ডার
আপনি কি ২০২৫ সালের রমজান মাসের ক্যালেন্ডার খুঁজছেন?? তাহলে আপনি একদম সঠিক জায়গাতে এসেছেন আপনারা অনেকেই রমজান মাসের ক্যালেন্ডার সম্পর্কে জানতে চান কোন ক্যালেন্ডারের রমজান মাসের সেহেরী এবং ইফতারের টাইম সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া রয়েছে।
যারা রোজা রাখবেন ইফতারি করবেন সেহরি খাবেন তাদের জন্য এই সময় গুলো সম্পর্কে জেনে রাখা খুবই জরুরী প্রতিটি মুসলিম ব্যক্তির ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে সেক্ষেত্রে আমাদের দায়িত্ব হল রোজা রাখা এবং সৃষ্টিকর্তা নিকট বেশি বেশি ক্ষমাপ্রার্থনা করা এবং ইবাদত করা।
নিচে দেখুন একটি ক্যালেন্ডার দেওয়া রয়েছে এই ক্যালেন্ডারে পবিত্র রোজার ডেট তারিখ বার এবং ইফতারি ও সেহরীর সময় দেওয়া রয়েছে আপনারা এই সময় অনুসারেই সেহেরী এবং ইফতার করবেন।

প্রিয় পাঠক ওপরের এই ক্যালেন্ডারটি আপনারা মোবাইলে ডাউনলোড করে রাখুন অথবা একটি স্ক্রিনশট নিয়ে নিন। উপরের এই ক্যালেন্ডারের মাধ্যমে আপনারা প্রত্যেকে কখন সেহরি ভাবে কখন ইফতারি হবে সে সকল বিষয়গুলো জানতে পারবেন আমরা অনেকেই আজানের অপেক্ষায় বসে থাকি
কিন্তু জানিনা আসলে কখন আজান দিবে তাই আর অপেক্ষা না করে এখন এই সময় গুলো দেখে নিন তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন কখন আজান দেবে সেই অনুসারে সেহরির জন্য এবং ইফতারের জন্য পূর্বের সমস্ত কাজ গুলো সম্পন্ন করে নিতে পারবেন।
আশা করছি ওপরের এই ২০২৫ সালের রমজান মাসের ক্যালেন্ডার আপনার পছন্দ হয়েছে। আজকের এই আর্টিকেল আমরা শুধুমাত্র রোজার ঈদ কত তারিখে এবং রমজান কত তারিখে সেই সকল বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করলাম।
লেখকের শেষ কথা
প্রিয় পাঠক বৃন্দগণ আজকের এই আর্টিকেলের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল ২০২৫ সালের রোজার ঈদ কত তারিখে, 2025 সালের কোরবানির ঈদ কত তারিখে,2025 সালের রোজা কত তারিখে,২০২৫ সালের ঈদ কত তারিখ,শবে বরাত ২০২৫ কত তারিখে,2025 সালের রমজান কত তারিখ এবং ২০২৫ সালের রমজান মাসের ক্যালেন্ডার।
আজকের এই আর্টিকেলে আমরা আপনাদের সাথে আলোচনা করলাম যে রোজার ঈদ কত তারিখে হবে? রোজার ঈদ হবে আগামী 31 মার্চ। প্রতিবছরে বাংলাদেশের সৌদি আরবের পরে ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয় সেক্ষেত্রে এই বছরেও তার ব্যতিক্রম হবে না এই বছরেও পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ
সৌদি আরবের পরে বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহা উদযাপন করা হবে ঈদুল ফিতরের বলতে বোঝায় রোজার ঈদ এবং ঈদুল আযহা বলতে বোঝায় কোরবানির ঈদ বাংলাদেশ ঈদুল আযহা কে আমরা কোরবানির ঈদ বলে জানি। কোরবানির ঈদ হতে পারে আগামী জুন মাসের ৬ তারিখে।
এই ডেট গুলো নির্ভর করে চাঁদ দেখার উপর। তাই সম্পূর্ণ নিশ্চিত এবং ক্লিয়ার বলা নিশ্চিত যে কবে ঈদুল আযহা এবং ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে তবে বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা যে ঈদুল ফিতর আগামী 31 মার্চ এবং ঈদুল আযহা আগামী জুন মাসের ৬ তারিখে উদযাপিত হবে। আশা করছি আজকের এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনারা প্রত্যেকেই বুঝতে পেরেছেন যে রমজান কত তারিখে এবং ঈদ কত তারিখে।